পরিবারের কারও হৃদরোগ থাকলে কি আপনারও ঝুঁকি আছে?

Family history relate heart attack
রক্তের সম্পর্কের ভিতরেই অনেক সময় লুকিয়ে থাকে বিপদের বীজ! ব্যাপারটা ঠিক  কেমন? ধরুন, আপনার বাবার অথবা পরিবারের কারও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার  ইতিহাস রয়েছে। তা হলে কিন্তু ঝুঁকির মুখে রয়েছেন আপনিও! তবে বিষয়টা এমন নয় যে, আপনার বাবা অথবা মা— কেউ এক জন হৃদরোগে আক্রান্ত হলেই আপনিও হৃদরোগে আক্রান্ত হবেন। আপনার ঝুঁকি থাকবে, তবে সঠিক জীবনযাপন করলে সেই ঝুঁকি অবশ্য কেটে যাবে। অর্থাৎ জেনেটিক বিষয়টা নজর রাখার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রার দিকটার উপরেও নজর রাখতে হবে। বহু রোগের ক্ষেত্রেই বংশগতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷ তাই পারিবারিক রোগের ইতিহাস জানাটা অত্যন্ত জরুরি। তা হলে ঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো তো যায়ই, চিকিৎসাতেও সুবিধা হয়।

পরিবারের কারও হৃদরোগ থাকলে আপনার কী করণীয়:

  • সবার আগে জানতে হবে পারিবারিক হৃদরোগের ইতিহাস। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস বললে কিন্তু ধরতে হবে তিন প্রজন্মকে। যেমন— ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা ও তাঁদের ভাই-বোনেরা, দিদা-দাদু, ঠাকুর্দা-ঠাকুরমা। প্রথমেই জেনে নিতে হবে, তাঁরা অতীতে কেউ কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা কেমন। এমনকী তাঁরা কোন বয়সে আক্রান্ত হয়েছেন, সেটাও জানতে হবে।
  • বংশগত হৃদরোগের ইতিহাস ডাক্তারবাবুকে খোলাখুলি জানান। আর আপনার ক্ষেত্রে কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা জরুরি কি না, সেটার জন্য ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিন। যদি কোনও থেরাপির প্রয়োজন হয়, তা ডাক্তারবাবুই বলে দেবেন।
  • পারিবারিক ইতিহাস তো একটা রিস্ক ফ্যাক্টর মাত্র! তাই শুধু এটার উপর নজর রাখলেই চলবে না। তার সঙ্গে অন্যান্য রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো (যেমন- হাই কোলেস্টেরল, ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, জীবনযাত্রা, ওজন বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি)-র উপরেও নজর দিতে হবে।

Find a Doctor

Search Medica Doctors List

Find